ঢাকা   শনিবার ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১

চর কালকিনি গিলে চর মার্টিন ক্ষত-বিক্ষত করার খেলায় মেতেছে মেঘনা

উপকূল ও নদী ভাঙন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:২৭, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

আপডেট: ১৭:৫৮, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

চর কালকিনি গিলে চর মার্টিন ক্ষত-বিক্ষত করার খেলায় মেতেছে মেঘনা

 

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মেঘনা নদীর ভাঙনে প্রায় বিলীন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন চর কালকিনি। বিপন্ন এ জনপদের মানুষের জীবনও ধুঁকরে কাঁদছে। ইউনিয়নটিকে ইতিমধ্যে দুইভাগ করে পাশ্ববর্তী চর মার্টিন ইউনিয়নে ঢুকে পড়েছে মেঘনা নদী। 

প্রতিনিয়ত মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে তীরের জনপদ। স্থানীয় বাসিন্দারা বসত-ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব জীবন পার করছেন। উপজেলার নাছিরগঞ্জ এলাকায় গেলে দেখা যায়, বাজারটি ভেঙে মেঘনা নদী চর মার্টিন ইউনিয়নে ঢুকে পড়েছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। 
রাস্তা-ঘাট ভেঙে সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন খালের। এতে বাসিন্দারা সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হচ্ছে। অনেকেই সাঁকো থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। 

নাছিরগঞ্জের উত্তরে যতই হাঁটা হয়, ততই দেখা মেলে চর মার্টিন ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে মেঘনার ভাঙন। নতুন খাল সৃষ্টি হয়ে মানুষের বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাটও ভেঙে পড়তে দেখা গেছে। 

সামনে মানিকগঞ্জ বাজার। তার আগে রাস্তা ভেঙে এ যেন এক মরণফাঁদ। যে কোন সময়, যে কেউ প্রাণ হারাতে পারেন এখানে। প্রতিবারের জলোচ্ছ্বাসে এ সড়কগুলো ভেঙে জনজীবন বিপর্যস্ত করছে। 

মানিকগঞ্জ বাজারের প্রতিষ্ঠাতা মাকছুদুর রহমান মানিক বলছিলেন, স্বপ্ন নিয়ে লাখ লাখ টাকা খরচ করে এখানে বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেই। কিন্তু এত অনিশ্চয়তা ব্যবসায়ীদের আয় রোজগারে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিভিন্ন সময়ে রাস্তা-ঘাট ভেঙে যাওয়ার ফলে বাজারে লোকজন আসতে বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছেন। যদি এই অঞ্চলে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়, তাহলে এ সমস্যা দ্রুতই সমাধান হবে। বেড়িবাঁধই ভ সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ।