ঢাকা   শনিবার ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১

শুরু হলো ‘অপো ডেভেলপার্স কনফারেন্স ২০২৩’

আধুনিক বিশ্ব

আধুনিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:০৩, ২০ নভেম্বর ২০২৩

শুরু হলো ‘অপো ডেভেলপার্স কনফারেন্স ২০২৩’

 

নভেম্বর ২০, ২০২৩, ঢাকা: সম্প্রতি শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল স্মার্টফোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘অপো’ আয়োজিত ‘অপো ডেভেলপার্স কনফারেন্স ২০২৩’ (ওডিসি২৩) শুরু হয়েছে। উদ্বোধনের প্রথম দিনেই অপো এর উন্নত ‘প্যান্টানাল ক্রস-প্ল্যাটফর্ম স্মার্ট সিস্টেম’ ও স্ব-প্রশিক্ষিত লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল- ‘অ্যান্ডেসজিপিটি’ উন্মোচন করেছে, যা অপো’র ব্র্যান্ড নিউ কালারওএস ১৪ এবং গ্লোবাল ডেভেলপার ও ‘অপো হেলথ’ এর জন্য মুক্ত ইকোসিস্টেমে গবেষণাকে আরও সক্ষম করে তুলবে।

উন্নত প্যান্টানাল ক্রস-প্ল্যাটফর্ম স্মার্ট সিস্টেম ও অ্যান্ডেসজিপিটি অপো’র ব্র্যান্ড নিউ কালারওএস ১৪ কে করে তোলে আরও বিশেষ
২০১৩ সালে প্রথম রিলিজের পর থেকে, অপো কালারওএস মূল প্রযুক্তিতে ইউজারদের ব্যবহার এবং বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি রক্ষার মাধ্যমে তাদের সর্বোচ্চ স্মার্ট এক্সপেরিয়েন্স প্রদান করে চলেছে। দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মাইলফলক হিসেবে, অপো’র কালারওএস ১৪ নতুন নতুন বৃদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিভিন্ন এক্সপেরিয়েন্স পেতে সহায়তা করে। অপো’র আপগ্রেডেড প্যান্টানাল ক্রস-প্ল্যাটফর্ম স্মার্ট সিস্টেম ও অপো’র চীনা সংস্করণের জন্য স্ব-প্রশিক্ষিত লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল- অ্যান্ডেসজিপিটির উন্নত সংযোগের উপর ভিত্তি করে এটা করা হয়।

উন্নত প্যান্টানাল সক্ষমতার মাধ্যমে, কালার ওএস ১৪ বৃহত্তর পরিসরে সেবা প্রদান করে থাকে। অপো’র স্ব-উন্নত ইন্টেলিজেন্ট অ্যাসিসটেন্ট অ্যান্ডেসজিপিটি ব্যবহার করে ব্রিনো’র (অপো’র একটি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট অ্যাপ্লিকেশন) ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। বর্তমানে নতুন ব্রিনোতে রয়েছে ৪০০ এরও বেশি সিস্টেম সেটিংস। এর মাধ্যমে আরও স্বাভাবিকভাবে ও সহজে আলোচনা চালানো যায়, যে কারণে এ অ্যাপ্লিকেশনটির প্রচুর ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও এ অ্যাপ ব্যবহার করে কৃত্রিম প্রযুক্তির কন্টেন্ট তৈরি, শিডিউল ব্যবস্থাপনাসহ আরও অন্যান্য কাজ করা সম্ভব হয়। 

সকলের জন্য কার্যকর লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ও এআই অ্যাজেন্ট তৈরি করছে অ্যান্ডেসজিপিটি 
তিনটি মূল প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যকে প্রাধ্যান্য দিয়ে অপো আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এর স্বপ্রশিক্ষিত লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল- অ্যান্ডেসজিপিটির উন্মোচন করেছে। সেগুলো হলো- ‘ডায়ালগ এনহ্যান্সমেন্ট, পার্সোনালাইজেশন ও ক্লাউড ডিভাইস কোলাবোরেশন’। আর এক্ষেত্রে নলেজ, মেমরি, টুলস ও ক্রিয়েশনের মতো মূল সক্ষমতার জায়গাগুলোতে ফোকাস করা হয়েছে। 

 


চীন ও বিভিন্ন দেশে অপো ৪৫টিরও বেশি মূল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এআই সম্পর্কিত পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছে। ভবিষ্যতে, অপো গ্লোবাল ডেভেলপারদের জন্য এআই এজেন্ট ওপেন প্ল্যাটফর্ম চালু করবে। 


ভবিষ্যতে একটি ওপেন ইকোসিস্টেম তৈরিতে গ্লোবাল ডেভেলপারদের আরও সক্ষম করতে অপো’র সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও সেবার একীভূতকরণ 

বিশ্বব্যাপী ৬০০ মিলিয়ন মানুষকে সেবা প্রদান করতে ৩,২০,০০০ ডেভেলপার ও ৭,৫০,০০০ ক্রিয়েটরদের সঙ্গে কাজ করছে অপো। সেইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি এর সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও সেবার একীভূতকরণ বৃদ্ধিও চালিয়ে যাচ্ছে। অপোর মতে, এটি অ্যাপ্লিকেশন, কন্টেন্ট ও গো-গ্লোবাল সেবার সক্ষমতা তৈরিতে গুরুত্ব দিবে। পাশাপাশি সার্ভিস ইকোসিস্টেম তৈরিতেও তাদের নজর থাকবে, যাতে সহযোগীদের সঙ্গে মিলে ইউজারদের আরও স্মার্ট ও সন্তোষজনক সেবার অভিজ্ঞতা প্রদান করতে পারে। 
এছাড়াও, অপো ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির গ্র্যাভিটি প্ল্যানে আরএমবি ২ বিলিয়ন রিসোর্স বরাদ্দ করবে, যাতে ডেভেলপারদের সঙ্গে একত্রে একটি ইকোসিস্টেম তৈরিতে সহায়তা করা যায়। সেবা বিতরণের নতুন যুগে যুক্ত হতে এবং এটি উপভোগ করতে আরও ডেভেলপারদের স্বাগত জানাচ্ছে অপো।

অপো হেলথ: প্রত্যেক ব্যক্তি ও পরিবারের স্বাস্থ্যবিষয়ক অভিভাবক
 
“টেকনোলজি ফর ম্যানকাইন্ড, কাইন্ডনেস ফর দ্য ওয়ার্ল্ড” ব্র্যান্ডের এ লক্ষ্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্বাস্থ্য শিল্পে অপো তার উপিস্থিতি বাড়িয়ে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে খেলাধুলা ও ফিটনেসের বিভিন্ন প্রাথমিক প্রযুক্তির উন্নয়ন, কার্ডিওভাস্কুলার হেলথ, ও স্লিপ হেলথ বা ঘুম বিষয়ক স্বাস্থ্য। যেগুলো ধীরে ধীরে অপো’র স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ ও অন্যান্য পণ্যের মধ্যে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। অপো প্রতিষ্ঠানটির ‘রিসার্চ অ্যাপ’- এর সাম্প্রতিক অগ্রগ্রতি সম্পর্কেও জানিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ‘হেলদি লাইফস্টাইল ট্রেনিং ক্যাম্প’, ‘কগনিটিভ হেলথ রিসার্চ’, ‘কার্ডিওভাস্কুলার হেলথ রিসার্চ’ এবং আসন্ন নতুন অ্যাপ ‘স্লিপ হেলথ রিসার্চ’।


প্রাথমিক প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রকল্পগুলোর ওপর ভিত্তি করে, প্রত্যেক ব্যক্তি ও পরিবারের স্বাস্থ্য বিষয়ক অভিভাবক ও সহযোগী হওয়ার আশা রাখে অপো।  
একইসঙ্গে, ভবিষ্যতে গবেষণা চালিয়ে যেতে এবং একটি ওপেন ইকোসিস্টেম তৈরি করতে আরও ডেভেলপার ও ক্রিয়েটরদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আশা প্রকাশ করেছে শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল স্মার্টফোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘অপো’।